Posts

Showing posts with the label Electric

১. AC ও DC কারেন্ট এর মধ্যে পার্থক্য ।

Image
          AC  ও  DC  কারেন্ট   এর   মধ্যে   পার্থক্য   ।                      AC কারেন্ট ।                         DC কারেন্ট । ১ . AC কারেন্টি পূর্ন রূপ হল Alternating     Current . ১ . DC কারেন্ট এর পূর্ন রূপ হল Directed     current . ২ . সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে   Alternating     Current এর দিক ও মান পরিবর্তন হয় । ২ . সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে Directed   current এর দিক ও মান পরিবর্তন হয় না । ৩ .  Alternating  Current উপন্ন হওয়ার পর     থেকে প্রবাহীত হতে থাকে । ৩ . Directed current সর্বদা স্থীর থাকে । ৪ .  Altern...

১৭. অনু ও পরমানু বলতে কি বুঝ ? পরমানু ভাঙ্গলে কি কি পাওয়া যায় ? পরমানুর গঠন প্রনালী অনু ও পরমানুর পার্থক্য ।

Image
      অনু ( Molecules ): অনু মৌলিক বা যৌগিক পদার্থের অতি ক্ষুদ্রতম কনা । যার স্বাধীন সত্ত্বা আছে এবং যার মধ্যে ঐ পদার্থের গুনাবলী বিদ্যমান থাকে তাকে অনু বলে ।অনু রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহন করতে পারে না ।অনুকে বিশ্লেষন করলে এক বা একাধিক পরমানু পাওয়া যায় । পরমানু ( Atom ):   অনুর ক্ষুদ্রতম কনাকে পরমানু বলে ।এর স্বাধীন সত্বা নেই এবং সচরাচর রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ গ্রহন করে । এটি মাইক্রোসকোপ যন্ত্র ছাড়া খালি চোখে দেখা যায় না ।দুই বা ততোধিক পরমানুর সমন্বয়ে অনু গঠিত হয় । পরমাণু পরমানুকে বিশ্লেষন করলে ইলেক্ট্রন, প্রোটন, নিউটন পেয়ে থাকি । ১. ইলেকট্রন এটি পরমানুর একটি অতিকাষুদ্রতম কনা যা ঋনাত্বক (-) চার্জবাহী এবং পোটন এর তুলনায় ১৮০০ গুন হালকা অতি সহজে গতিবেগ প্রাপ্ত হয় তাকে ইলেকট্রন বলে । ২. প্রোটন এটি পরমানুর একটি ক্ষুদ্রতম কণা ধনাত্বক (+) চার্জবাহী এবং ইলেকট্রন এর তুলনায় ১৮০০ গুন ভাড়ি এটি পরমানুর কেন্দ্রে অবস্তান করে । ৩. নিউটন এটি পরমানুর একটি ক্ষুদ্রতম কনা এবং বিদ্যুৎ নিরপেক্ষ মূল কনিকা যার মধ্যে কোন চার্জবাহী থাকে না তাকে নিউটন বলে পরমা...

১৮. পদার্থ (matter) কাকে বলে ? অবস্থা ও উৎপাদন ভেদে পদার্থ কত প্রকার কি কি ।

Image
            পদার্থ (Matter): যার ওজন আছে , আকার ও আকৃতি আছে, জায়গা দখল করে এবং বল প্রয়োগ করলে স্থানচ্যুত হয় তাকে   Matter বা পদার্থ বলে । অবস্থা ভেদে পদার্থকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়ঃ ১ . কঠিন পদার্থ (Solid Matter) ২ . তরল পদার্থ (Liquid Matter) ৩ . বায়বীয় পদার্থ (Gaseous Matter) ১ . কঠিন পদার্থ (Solid Matter): কঠিন পদার্থের নিদিষ্ট আকার ও আয়তন আছে । স্বাভাবিক অবস্থায় এর আকার ও আয়তনের পরিবর্তন হয় না । যেমনঃ ইট, পাথর,লোহা, কাঠ ইত্যাদী । ২ . তরল পদার্থ (Liquid Matter): তরল পদার্থের আয়তন আছে । কিন্তু কোন আকার নেই ।একে যে পাত্রে রাখা হয় সে পাত্রের আকার ধারণ করে । পদার্থের এই অবস্থাকে তরল পদার্থ বলে ।যেমনঃ পানি, তৈল, দুধ ইত্যাদি । ৩ . বায়বীয় পদার্থ (Gaseous Matter): বায়বীয় পদার্থের স্থায়ী কোণ আকার বা আয়তন নেই ।কিছু পরিমান গ্যাস একটি ছোট পাত্রকে যে রূপ ভাবে পূর্ণ করতে পারে একটি বড় পাত্রকেও সে রূপ ভাবে পূর্ণ করতে পারে । পদার্থের এ অবস্তাকে বায়বীয় পদার্থ বলে । উৎপাদন ভেদে পদার্থকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়েছেঃ ১ . মৌলিক পদার্থ (Ele...

১৯. রেজিস্ট্যান্স কাকে বলে? রেজিস্ট্যান্স কি?রেজিস্ট্যান্স এর প্রধান কাজ কী? রেজিস্ট্যান্সের প্রতীক এবংএকক কি? রেজিস্ট্যান্স এর প্রকারভেদ? রেজিস্ট্যান্স সার্কিটের সংযোগ পদ্ধতি? কালার কোড রেজিস্ট্যান্স।

Image
                       রেজিস্ট্যান্স কাকে বলে :- পরিবাহীর মধ্য দিয়ে কারেন্ট প্রবাহের সময় পরিবাহী পদার্থের যে ধর্ম অথবা বৈশিষ্ট্যের কারণে তা বাধাগ্রস্থ হয় তাকেই রেজিস্ট্যান্স বলে। র                       রেজিস্ট্যান্স  কি:-  রেজিস্ট্যান্স একটি ইংরেজি শব্দ,যার বাংলা অর্থ হচ্ছে রোধক, এটা বাধা প্রধানকারী একটা ডিভাইস। পরিবাহির মধ্যদিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাধা প্রধানকারী ডিভাইস কে রেজিস্ট্যান্স বলে। রেজিস্ট্যান্স এর প্রকাশ,প্রতীক ও একক:- রেজিস্ট্যান্স এর প্রতীককে R দ্বারা প্রকাশ করা হয়ে থাকে এবং রেজিস্ট্যান্স এর একক (Ω) ওহম দ্বারা (Ohm) প্রকাশ করা হয়। রেজিস্ট্যান্স এর কাজ:-   সার্কিটে কারেন্ট প্রবাহর সময় বাধা প্রধান করা বা Voltage drop ঘটানো রেজিস্ট্যান্স এর প্রধান কাজ। অনেক সময় নির্দিষ্ট  লোড চালানোর জন্য  কোন সার্কিটে  কম ভোল্ট বা কারেন্ট প্রবাহের প্রয়োজন পরে তখন রেজিস্ট্যান্স ব্যবহার করে উক্ত লোড চালনো হয় উদাহারন স্বরুপ বলা যায় যে , ধরুন একটা সার...

২০. স্পীকারের শব্দ কিভাবে উৎপন্ন করে ।

Image
          স্পীকারের   শব্দ উৎপন্নঃ - Free space   বা মহাশূন্য থেকে ইলেক্টিক্যাল সিগন্যাল রিসভিার বা গ্রাহক যন্তে আসে । এই সিগন্যাল পরক্ষনে স্পীকারে যায় ।স্পীকারে কার্বন পেপার লাগানো থাকে । আগত ইলেক্টিক্যাল সিগন্যাল কার্বন পেপারকে ধাক্কা দেওয়ার ফলে কম্পনের সৃষ্টি হয় । যার ফলে স্পীকারে শব্দ উৎপন্ন হয় ।ইহা ছাড়াও আমর জানি যে , স্পীকারের কাজ হল ইলেক্টিক্যাল সিগন্যাল sound সিগন্যালে রূপান্তর করা ।

২১. AVO মিটার কি ? বিদ্যুতীক কাজ কর্মে ইহার ব্যাবহার আলোচনা কর ।

Image
                 AVO মিটার কি ? বিদ্যুতীক কাজ কর্মে ইহার ব্যাবহার আলোচনা কর ।     কারেন্ট , ভোল্ট ও রেজিটেন্স মাপার জন্য যে বৈদ্যুতীক যন্ত্র বা ডিভাইজ ব্যাবহার করা হয় তাকে AVO মিটার বা মাল্টিমিটার বলে । যার পূর্ণ রূপ হর্লঃ            A=Ammeter,            V=voltmeter,            O=ohmmeter, 1 . Ammeter: এ্যামিটার হচ্ছে একটা কম রোধযুক্ত এবং এ্যাম্পিয়ার অংশাঙ্কিত মুভিং কয়েল গ্যালভানোমিটার।এর সাহায্যে কোন সার্কিটে এ্যাম্পিয়ার এককে তড়িৎ প্রবাহের মান নির্ণয় করা হয় । 2 . Voltmeter: ভোল্ট মিটার হচ্ছে শ্রেনী সমবায়ে বেশী মানের একটা রোধযুক্ত এবং ভোল্টেজ অংশাঙ্কিত মুভিং কয়েল গ্যালভানোমিটার ।এর সাহায্য সার্কিটের যে কোন দুটি বিন্দুর মধ্যে বিভব বৈষম্য এর ভোল্টেজ পরিমাপ করা যায় । 3 . Ohmmetar: যে মিটারের সাহা...